ইস’লামের প্রাথমিক যুগে ইফতারের পরে ঈশা পর্যন্ত পানাহার ও স্ত্রী’ সহ’বাস বৈধ ছিল। যদি কেউ এর পূর্বে শূয়ে পড়তো। তবে নিদ্রা আসলে পানাহার ও স্ত্রী’ সম্ভোগ হারাম হয়ে যেত। এর ফলে সাহাবাগন ক’ষ্ট অনুভব করছিলেন।

অ’তপর আল্লাহ আয়াত নাজিল করে মাগরিব থেকে সুভহে সাদিকের পূর্ব পর্যন্ত পানাহার ও স্ত্রী’ সম্ভোগের আদেশ দান করেন।

রাসূল সা: বলেছেন, ইফতার তাড়াতাড়ি কর আর সেহরি বিলম্ব কর। হযরত আনাস (রা:) বলেন আম’রা সেহরি খাওয়া মাত্রই নামাজে দাঁড়িয়ে যেতাম।

এখানে একটা বি’ষয় জ্গাতব্য যে যেহেতু আল্লাহতায়ালা রোজাদারের জন্য স্ত্রী’ সহ’বাস ও পানাহারের সময় সুবেহসাদিক পর্যন্ত নির্ধারন করেছেন কাজেই সকালে যে ব্যাক্তি অ’পবিত্র অবস্হায় উঠলো সে পবিত্র হয়ে নামাজ আদায় করে রোজা পুরা করে নিল।

যদি গোসল করতে গিয়ে পানাহারের সময় শেষ হয়ে যায় তাহলে ওজু করে সেহরি পুরা করে গোসল করে নামাজ আদায় করে নিবে। কাজেই আপনারা রাতে সহ’বাস করতে পারেন তবে মনে রাখবেন ফজরের নামাজের পুর্বে অবশ্যি নিজেকে পবিত্র করে নিতে হবে।

যেসব শর্তে ঈদ উপলক্ষে খুলছে দোকান-শপিংমল!

দীর্ঘ দিন করোনা ভাই’রাসের কারণে বন্ধ থাকা দোকান-পাট ও শপিংমলগুলো ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সীমিত পরিসরে ব্যবসা-বাণিজ্য চালু রাখার অনুমতি দিয়েছে স’রকার। আজ সোমবার (৪ মে) মন্ত্রি পরিষদ বিভাগের এক প্রজ্ঞপনে এ তথ্য জানানো হয়।

আদেশে বলা হয়, রমজান এবং ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে সীমিত পরিসরে ব্যবসা-বাণিজ্য চালু রাখার স্বার্থে দোকান-পাট খোলা রাখা যাবে।

তবে ক্রয়-বিক্রয়কালে পারস্পরিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন করতে হবে। বড় বড় শপিংমলের প্রবেশমুখে হাত ধোয়ার ব্যবস্থাসহ স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা রাখতে হবে।

শপিংমলে আগত যানবাহনসমূহকে অবশ্যই জী’বাণুমক্ত করার ব্যবস্থা রাখতে হবে। দোকানপাট এবং শপিংমূলমসমূহ আবশ্যিকভাবে বিকাল ৫টার মধ্যে বন্ধ করতে হবে।

আদেশে আরও বলা হয়েছে, ঈদুল ফিতরের স’রকারি ছুটিতে কেউ কর্মস্থল ত্যাগ করতে পারবেন না। ওই সময়ে আন্তঃজে’লা গণপরিবহন বন্ধ থাকবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here