বিয়ের প্রলোভনে দুই বছর ধরে ধ’র্ষণের শি’কার হয়েছে দশম শ্রেণির এক ছাত্রী। অবশেষে বিয়ে না করায় আত্মহ’ত্যার চেষ্টা করেছে সে। বৃহস্পতিবার নওগাঁ সদর উপজে’লার চকবুলাকি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই ছাত্রীর বাবা দিনমজুর। স্কুলে আসা-যাওয়ার পথে বার বার প্রেমের প্রস্তাব দেয় ওই গ্রামের প্রভাবশালী ইয়াছিন আলীর ছেলে ইমরান হোসেন ইমন।

পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরপর ইমরান হোসেন বিয়ের প্রলোভনে দুই বছর ধরে ওই ছাত্রীকে ধ’র্ষণ করে।

গত রাতে ওই ছাত্রীকে ধ’র্ষণের চেষ্টা করলে ধরা পড়ে যায় ইমরান। এরপর বি’ষয়টি নিয়ে গ্রামবাসী ও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বৈঠকের মাধ্যমে বিয়ে দিয়ে সমাধানের চেষ্টা করলে ছেলের পরিবার তা অর্থের মাধ্যমে সমাধান করতে চায়। কিন্তু মেয়ের পরিবার টাকার মাধ্যমে বি’ষয়টি সমাধান না করে বিয়ের কথা বললে অ’স্বীকার করে ছেলের পরিবার।

এভাবে বৈঠকের নামে তারা সময় পার করায় মঙ্গলবার রাতে থানা পু’লিশে অ’ভিযোগ করে ভু’ক্তভোগীর পরিবার। এমতাবস্থায় মেয়ে লোকলজ্জা থেকে মুক্তির জন্য বৃহস্পতিবার সকালে গ’লায় ফাঁ’স দিয়ে আত্মহ’ত্যার চেষ্টা করে। পরে তাকে উ’দ্ধার করে রানীনগর উপজে’লা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়।

ভু’ক্তভোগী ছাত্রীর বাবা অ’ভিযোগ করে বলেন, রাতে ইমরান হোসেন মেয়েকে ধ’র্ষণ করতে এলে বি’ষয়টি জানাজানি হয়। আমার মেয়েকে দুই বছর ধরে ধ’র্ষণ করা হয়েছে। গ্রাম্য সালিশে মেয়েকে বিয়ের প্রস্তাব দিলে ছেলে পক্ষ অ’স্বীকার করে।

টাকার বিনিময়ে আপসের প্রস্তাব দেয় তারা। মেয়ে ক্ষো’ভে আত্মহ’ত্যার চেষ্টা করেছে। সুবিচারের আশায় থানায় গেছি। আ’সামির পরিবার প্রভাবশালী হওয়ায় আমরা সুষ্ঠু বিচার পাচ্ছি না।

চন্ডিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়্যারম্যান বেদারুল ইসলাম মুকুল বলেন, ঘটনার পর একাধিকবার বৈঠকে বিয়ের মাধ্যমে বি’ষয়টি সমাধাদের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছি। পরে ভু’ক্তভোগী পরিবারকে আইনের আশ্রয় নেয়ার পরামর্শ দিয়েছি।

নওগাঁ সদর মডেল থানা পু’লিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহরাওয়ার্দী হোসেন বলেন, অ’ভিযোগের পর মেয়ের জবানব’ন্দি নেয়া হয়েছে। মেয়ের ডাক্তারি প্রতিবেদন পাওয়ার অপেক্ষা রয়েছি। ঘটনার পর থেকে আ’সামি ইমরান হোসেন ইমন প’লাতক থাকায় গ্রে’ফতার করা সম্ভব হয়নি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here