টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে মা’দক বিক্রি করতে অস্বীকার করায় রাতের আঁধারে সিঁধ কে’টে ঘরে প্রবেশ করে ঢুকে স্ত্রী আঁখি আক্তার (১৮) চোখ উপড়ে ফে’লেছেন স্বা’মী ফারুক হোসাইন (২২)।

শনিবার (৪ জুলাই) ভোর রাতে উপজে’লার নারান্দিয়ার মাইস্তা দড়িপাড়া গ্রামে এই ঘ’টনা ঘটে। জানা যায়, এক বছর আগে ফারুককে ছেড়ে আঁখি চলে আসেন এবং গাজীপুরে গার্মেন্টস চাকরি নেন। তাকে ফোন করে চোখ উপড়ে ফেলাসহ প্রা’ণনা’শের হু’মকি দেয়।

গত রমজান মাসে ফারুক গাজীপুরের বাসায় গিয়ে ছু’রি দিয়ে আঁখি আক্তারকে আ’হত করে। ওই ঘ’টনায় গাজীপুর সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়।

এমন ঘ’টনার জের ধরে শনিবার ভোর রাতে সিঁধ কে’টে আঁখিদের ঘরে প্রবেশ করে ফারুক। কাচি দিয়ে আঁখির চোখে আ’ঘাত করে পা’লিয়ে যায় স্বা’মী। আঁখির চি’ৎকারে আশেপাশের লোকজন ছুটে আসেন।

পরে আঁখিকে র’ক্তাক্ত অবস্থায় টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। এ ঘ’টনায় আঁখি আক্তারের চাচা খোকন মিয়া বলেন, মির্জাপুর উপজে’লার বুসুন্দী গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে ফারুক হোসাইনের সাথে আঁখির বিয়ে হয়।

তাদের একটি কন্যা স’ন্তান রয়েছে। ফারুকের বাবা বিদেশ থাকায় সে মা’দক সেবন এবং ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ে। ফারুক তার স্ত্রী আঁখি আক্তারকে মা’দক বিক্রি করতে বললে তাদের মধ্যে কথা কা’টাকাটি হয়।

এক পর্যায়ে আঁখি তার বাবার বাড়ি চলে আসে। পরবর্তীতে শালিসি বৈঠকের মাধ্যমে মীমাংসা করে আঁখি আক্তারকে ফারুকের বাড়ি পাঠানো হয়। কিন্তু তারপরও ফারুক তার স্ত্রী’কে মা’দক বিক্রি করতে বলে। কিন্তু আঁখি রাজি না হওয়া একাধিকবার ঝ’গড়া ও শালিস হয়েছে।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন বলেন, ফারুক হোসাইন মা’দক সেবন ও মা’দক ব্যবসার সাথে জ’ড়িত। মা’দক বিক্রি নিয়ে স্বা’মী-স্ত্রীর সাথে ঝ’গড়ার সৃষ্টি হয়। আঁখির চোখ উপড়ে ফে’লে স্বা’মী পা’লিয়ে গেছে। এ ন্যাক্কারজনক ঘ’টনার দৃষ্টান্তমূ’লক শা’স্তি হওয়া উচিত।

কালিহাতী থানার ওসি হাসান আল মামুন বলেন, আমাদের এসআই ফজলুল হক ঘ’টনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ঘ’টনার সত্যতা পাওয়া গেছে। লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে, অ’ভিযুক্ত ফারুকের মোবাইলে একাধিকবার কল করলে তার নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here