একটি না’রীর শ’রীরের প্রতি পুরু’ষদের প্রাথমিক চা’হিদা কি ? সমাজের পুরু’ষ শ্রেণীর মনের কথা কেউ বলতে পারে না। না’রীকে দ্রু’ত উ’ত্তেজিত করার জন্য পুরু’ষেরা অনেক কিছুই করে থাকে। এটির কিছু সহজ উপায় আছে। মে’য়েদের শ’রীরের কিছু স্পর্শকাতর অ’ঙ্গ আছে যেখানে স্পর্শ পেলে মে’য়েরা মি’লনের জন্য পা’গল পা’গল হয়ে ওঠে। আসুন জেনে নিন সেই অ’ঙ্গগু’লি কি কি ?

১। ঘাড়ের পিছন দিক ঃ- মে’য়েদের শ’রীরের এই জায়গা হল সে’ক্সুয়ালি টার্ন অন করার জায়গা। কিন্তু ছেলেরা শ’রীরের এই দিকে খুব কম নজর দেয়। শুধু এখানেই স্পর্শ করেই কোন না’রীকে চ’রম উ’ত্তেজিত করা সম্ভব। কিচ্ছু না শুধু পিছন দিকে ঘাড়ের চুল সরিয়ে হাত বুলিয়ে দেখু’ন। তারপর আস্তে আস্তে কিস করতে থাকুন। দেখবেন সে পা’গল হয়ে যাচ্ছে মি’লনের জন্য।

২। কান ঃ- ঘাড়ের মতই আর এক স্পর্শকাতর জায়গা হল কান। কানে হালকা স্পর্শ, চুমু পেলে মে’য়েরা কাতর হয়ে পড়ে। তারপর কানের কাছে মুখ নিয়ে গিয়ে উষ্ণ নিঃশ্বাস ফেললে সে নিজে থেকেই আপনার সাথে মি’লন করতে চাইবে। কিন্তু ভু’ল করেও কানের ছিদ্রে এসব করবেন না।

৩। থাই ঃ- না’রীর স্পর্শকাতর জায়গা হল তার শ’রীরের নরম অংশ গু’লি। তেমন একটি জায়গা হল থাই। ধীরে ধীরে সেখানে মুখ ও হাত লাগান, কিস করতে থাকুন। কিন্তু আসল জায়গায় পৌঁছনোর আগে ফিরে আসুন। দেখবেন সে নিজেই আপনাকে পৌঁছে দেবে আসল জায়গায়।

৪। হাতের তালু ও পায়ের পাতা ঃ- হয়তো আপনি ভাবছেন যে হাত তো সবসময় স্পর্শ করেন। হাতে এমন কি আছে যাতে আপনার স’ঙ্গিনী উ’ত্তেজিত হবে। কিন্তু হাতে ও পায়ে সুড়সুড়ি দিলে না’রীরা সে’ক্সুয়ালি এক্টিভ হয়ে ওঠে। হাতের আ’ঙ্গুল নিজের মুখে নিয়ে চু’ষতেও পারেন। দেখবেন তার শ’রীর সাড়া দিচ্ছে।

৫। পা ঃ- পায়ে সুড়সুড়ি দিলে অনেক মে’য়েই বেশ মজা পায়। তার পায়ে হাত বোলান আর সাথে পায়ে চুমু খান। অনেক মে’য়ে আবার এসব পছন্দ করে না, সেখানে সাবধানে চলুন।

৬। পিঠ ঃ- পিঠ ও পিঠের নিচের দিক মে’য়েদের সব থেকে স্পর্শকাতর জায়গা। আসল কাজ শুরু করার আগে মে’য়েরা চায় এসব জায়গায় আদর পেতে। পিঠের উপর থেকে চুমু খেতে খেতে নিচের দিকে নামুন। তার সে’ক্স করার মুড বেড়ে যাবে।

৭। কলার বোন ঃ- না’রীকে উ’ত্তেজিত করে তার আসল জায়গায় যাওয়ার অন্দরমহল হল তার স্ত’ন। আর স্ত’নে পৌঁছনোর রাস্তা হল গ’লা বা যাকে বলে কলার বোন। সেখনে হালকা চুমু খান বা জিভ দিয়ে চাটতে থাকুন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here