বাবা-মায়ের থেকে ছেলেকে আলাদা করতে চাইলে স্ত্রী’’কে ডিভোর্স দিতে পারবেন স্বামী। ভারতের সুপ্রিম কোর্টের হিন্দু বিবাহ আইনে এই বিধান
জারি করা হয়।

বৃহস্পতিবার একটি ঐতিহাসিক রায়ে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জাস্টিস অনিল দাভে এবং জাস্টিস এল নাগেশ্বর বলেন, বৃ’দ্ধ এবং
ছেলের ও’পর নির্ভরশীল বাবা-মায়ের থেকে স্বামীকে নিয়ে আলাদাভাবে বসবাস করতে জো’র করলে বিবাহবিচ্ছেদের মা’মলা করতে পারেন স্বামী

১৪ পাতার রায়ে বিচারপতিদ্বয় বলেন, ‘পশ্চিমা সভ্যতার সঙ্গে ভারতীয় সংস্কৃতি এবং রাজনীতির বিস্তর ফারাক রয়েছে। সেখানকার নিয়ম এখান
চলতে পারে না।

বৃ’দ্ধ বাবা-মাকে দেখা ছেলের কর্তব্য বলেই ধ’রা হয়।’তারা বলেন, ‘বিয়ের পর স্বামীর পরিবারের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠেন
স্ত্রী’। যদি বিশেষ ক্ষেত্র না হয় তবে স্বামীকে অ’ভিভাবকদের থেকে পৃথক করার জন্য মা’নসিক এবং শা’রীরিক নি’র্যাতন করলে বিচ্ছেদের মা’মলা

করতে পারেন স্বামী।’বায়ে আরো বলা হয়, ‘অ’তীতে দেখা গিয়েছে স্বামীকে চা’প দিতে স্ত্রী’ আত্মহ’ত্যার হু’মকি বা আত্মহ’ত্যার চেষ্টা করেন। যদি
কোনো ক্ষেত্রে তিনি মা’রা যান তবে আইনি সমস্যায় জর্জরিত হতে হয় সেই ব্যক্তিকে।

তার ক্যারিয়ার, পরিবার, সামাজিক সম্মান সব কিছু ছারখার হয়ে যায়। এ সব কিছুর কথা ভেবে শেষ পর্যন্ত চা’পের কাছে নতি করে নেন অনেকে।

আর যাতে এই রকম ঘটনা না ঘটে তার জন্যই এই রায়ের

বিধান করা হয়েছে।’ভারতের সুপ্রিম কোর্ট হল ভারতেরসর্বোচ্চ বিচারবিভাগীয় অধিকরণ ও ভারতের সংবিধানের অধীনে সর্বোচ্চ আপিল আ’দালত এবং
সর্বোচ্চ সাংবিধানিক আ’দালত।

ভারতের সর্বোচ্চ ন্যায়ালয় সাংবিধানিক পর্যালোচনার অধিকারপ্রা’প্ত। ভারতের প্রধান বিচারপতি ও অ’পর ৩০ জন বিচার
পতিকে নিয়ে ভারতের সর্বোচ্চ ন্যায়ালয় গঠিত। এটির মৌলিক, আপিল ও উপদেষ্টা এক্তিয়ার রয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here