হিজড়া কারা? সাধারণত আমরা বিভিন্ন রাস্তার মোড়ে বা ট্রেনে দেখি একদল মেয়ে ‘ অ্যাই টাকা দে, টাকা দিবি না?’ এমন বলে টাকা তোলে।
এরা হিজড়া হয়।

সমাজে তাদের হিজড়া, বা তৃতীয় লিঙ্গ বা নপুংসক ইত্যাদি নানারকম নামে সমাজ তাদের ডাকে। জন্মের সময় কিন্তু ওরা এমন
থাকে না।

ক্রমশ বড় হওয়ার সাথেই সাথেই ওদের এই লক্ষণ গুলো পরিলক্ষিত হয়।হিজড়ারা সমাজের সবচেয়ে অবহেলিত জনগোষ্ঠী।

শুধুমাত্র শারিরীক কিছু প্রতিবন্ধকতার জন্য ওরা সমাজের কাছে অবহেলিত। হিজড়াদের সেই সমস্ত দরকারি সুযোগ সুবিধা গুলোও দেওয়া হয় না,

যেগুলো আর ৫ টা সাধারণ মানুষ পেয়ে থাকে।আর ঠিক এই কারণেই বাসে ট্রেনে, রাস্তা ঘাটে সাধারণ মানুষকে হয়রান হতে হয় .এদের হাতে।

আজ আমরা এই প্রতিবেদনে জানবো যে, এমন দুটি ফল আছে, যেগুলো একসঙ্গে খেলে হিজড়া স’ন্তানের জন্ম হয়।কি সেই ফল দুটো।

আজ আমরা এই প্রতিবেদনে সেটাই জানবো। আসুন দেখে নিই বিস্তারিত।ফল আমাদের শ’রীরের জন্য খুবই ভালো।

শ’রীরের উপকারের জন্য আমরাসকল সময়েই কোন না কোন ফল খেয়ে থাকি। কিন্তু কিছু ফল এমন আছে যেগুলো একসঙ্গে খেলে আপনার হিজড়া স’ন্তানের জন্ম হতে পারে।

কই সেই ফল দুটি?ফলদুটি হচ্ছে, আমলকি আর লিচু। আমলকি আর লিচু যদি একসাথে খাওয়া হয় তাহলে আপনারও হিজড়া স’ন্তানের জন্ম হতে

পারে।এর পিছনে কারণ হিসেবে লুকিয়ে আছে কিছু পৌরাণিক ত’থ্য। আসুন দেখে নিই কি সেই কারণ।

পৌরাণিক কারণ মতে বলা হয় যে, একবার কিনসু নামের একটি মেয়ে একসঙ্গে আমলকি আর লিচু ভগবান গির্বাকে নিবেদন করেছিলেন।

কিন্তু গির্বা তো আমলকি আর লিচু একসাথে খান না, তাই তখন তিনি রেগে গিয়ে অভিশাপ দিয়েছিলেন যে, আমার সাথে এমন মশকরা করা,

তাই এই ফলদুটি যে একসাথে খাবে, তারই হিজড়া স’ন্তান জন্ম হবে। তখন থেকেই এটি প্রচলিত হয়ে গেছে যে, একইসাথে এই দুটি ফল

অর্থাত্‍ আমলকি ও লিচু খেলে হিজড়া স’ন্তানেরজন্ম হবেই।

যেহেতু হিজড়া দের সামাজিক অভিশাপ বলে মনে করা হয়, এবং আমরা কেউই চাই না যে আমাদের হিজড়া স’ন্তানের জন্ম হোক, তাই এই দুটি
ফল একইসাথে কখনোই খাবেন না এবং ভগবান গির্বার পুজোয় নিবেদন করবেন না

আরো পড়ুন রাতে থাকার স্থান দিয়ে গভীর রাতে রো’হি’ঙ্গা মেয়েকে ধ’র্ষণ

উখিয়া উপজে’লার হলদিয়া পালং ইউনিয়নে ম’রিচ্যা গরু বাজার এলাকার থেকে আলী আকবর (৫০) নামের এক ব্যক্তিকে রো’হিঙ্গা কি’শোরী ধ’র্ষণের অ’ভিযোগে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় গ্রে’ফতার করেছে পু’লিশ। ১২ (নভেম্বর) মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টায় তাকে আ’ট’ক করা হয়। সে ভালুকিয়া তুলাতলির মৃ’ত কালা মিয়ার ছে’লে বলে পু’লিশ জানিয়েছে।

সুত্রে জানা গেছে, জনৈক আলী আকবর এ উপজে’লার ম’রিচ্যা গরু বাজার তার বাসায় বিভিন্ন গাছের লতা-পাতা দিয়ে ভূঁয়াকবিরাজি ও’ষুধ তৈরী করে বিক্রি করে আসছিল দীর্ঘদিন থেকে। গত ১১ (নভেম্বর) সোমবার সন্ধ্যার দিকে রো’হিঙ্গা ক্যাম্প থেকে চিকিৎসা করতে আসেন এক রো’হিঙ্গা না’রী। তার সাথে আসেন ১২ বছরের এক কি’শোরী মে’য়ে।

চিকিৎসার কথা বলে ল’ম্পট আলী আকবর রাত পর্যন্ত তাদেরকে বাসায় রেখে দেয়। পরে তাদেরকে সেখানে রাত যাপনের ব্যবস্থা করে সে। রাত গভীর হলে কৌশলে কি’শোরী মে’য়েকে ধ’র্ষণ করে আলী আকবর। বি’ষয়টি কি’শোরীর মা জানার পরেও ভ’য়ে রাতে কিছু বলেনি। ভোর সকালে সেখান থেকে বের হয়ে স্থানীয় লোকজনকে সব কিছু বলে দেয়।

ঘটনা জানাজানি হয়ে গেলে ধ’র্ষক আলী আকবর পা’লিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে হলদিয়াপালং ইউনিয়ন শ্র’মিকলীগের সভাপতি জসিম আহম’দের সহযোগিতায় তাকে আ’ট’ক করা হয়। পরে পু’লিশকে খবর দিলে এসআই ফারুক ঘটনাস্থল থেকে ল’ম্পট আলী আকবরকে গ্রে’ফতার করে

থা’নায় নিয়ে আসেন।এব্যাপারে মা’মলা ত’দন্তকারী কর্মক’র্তা মোঃ ফারুক জানান, এ ঘটনায় কি’শোরী জবানব’ন্দি মতে, ধ’র্ষকের বি’রুদ্ধে মা’মলা রুজু করা হয়েছে। মা’মলা নং ১৯/২০১৯ইং,তারিখ-১২/১১/২০১৯ইং। ধৃত আসামীকে জে’ল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে। এবং ধ’র্ষিতা কি’শোরীকে ডাক্তারী রিপোর্টের জন্য পাঠানো হয়েছে

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here