তিন দিন ধরে রাস্তায় পড়েছিলেন পঞ্চাশোর্ধ্ব মনোয়ারা বেগম। সেখানে তিনি বৃষ্টিতে ভিজে ঠাণ্ডায় কেঁপেছেন, আবার প্রখর রোদে তৃষ্ণায় ক’ষ্ট পেয়েছেন।

গত বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নতুন ভবনের সামনে মনোয়ারা বেগমকে ফে’লে যায় তার ছেলে মোজাম্মেল হক। কারণ, হঠাৎ মনোয়ারার শ্বাসক’ষ্ট দেখা দিয়েছে।

রাজধানীর মিরপুর কমার্স কলেজের পাশের বস্তিতে সালামের ভাড়া বাসায় থাকতো মনোয়ারা বেগম। মনোয়ারা ক’রোনা আ’ক্রান্ত হয়েছে স’ন্দেহে তাকে বস্তি থেকে অন্য কোথাও নিয়ে বলেন সালাম। আর তাতেই মাকে রাস্তায় ফে’লে রেখে যায় মোজাম্মেল।

ঢামেক পু’লিশ ফাঁড়ির সদস্যরা দেখতে পেয়ে শনিবার (৬ জুন) বিকেলে মনোয়ারাকে উ’দ্ধার করে হাসপাতালের নতুন ভবনের ক’রোনা ইউনিটে ভর্তি করেন।

ঢামেক হাসপাতাল পু’লিশ ক্যাম্পের সহকারী ই’নচার্জ এএসআই আব্দুল খান জানান, ক’রোনা আ’ক্রান্ত স’ন্দেহে মনোয়ারা বেগমকে তার ছেলে ফে’লে রেখে গেছে। যখন তাকে উ’দ্ধার করা হয়, তখনও তার মা’রাত্মক শ্বাসক’ষ্ট ছিলো।

তিনি বলেন, ‘‘তিন দিন ধরে মনোয়ারা বেগম ঝড়-বৃষ্টিতে ভিজে এখানে পড়ে ছিল বলে অ্যাম্বুলেন্স চালকরা আমাকে জানিয়েছেন।’’

নতুন ভবনের ক’রোনা ইউনিটে দায়িত্বরত চিকিৎসক জানান, মনোয়ারা বেগমের শা’রীরিক অবস্থা ভালো না। ক’রোনার পাশাপাশি অন্যান্য পরীক্ষা করা হচ্ছে এবং চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

পু’লিশ জানায়, মনোয়ারা বেগমের স্বামীর নাম শাহজাহান মিয়া। গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজে’লার জয়রামপুর গ্রামে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here