নভেল ক’রোনাভা’ইরাসেের বা কোভিড-১৯-এর সং’ক্র’মণ এড়াতে সাধারণ ছুটি শেষে আগামী ৩১ মে থেকে সীমিত পরিসরে অফিস এবং কলকারখানা খুলে দিচ্ছে স’রকার। এই সময়ে স’রকারের পক্ষ থেকে ১৩ দফা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

চলতি মাসের ১১ মে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ ১৩ দফা দিয়ে স্বাস্থ্যবিধি জারি করে। মূলত সেই স্বাস্থ্যবিধিগুলোই মেনে চলার নির্দেশনা দিয়েছে স’রকার।

বৃহস্পতিবার (২৮ মে) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে ১৫ জুন পর্যন্ত এই আদেশ কার্যকর হবে।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে যে ১৩ দফা স্বাস্থ্য বিধি দেওয়া হয়েছিল সেগুলো হলো:

১. প্রয়োজনীয় সংখ্যক জী’বাণুমুক্তকরণ টানেল স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গণপূর্ত মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দেওয়া যেতে পারে।

২. অফিস চালু করার পূর্বে অবশ্যই প্রতিটি অফিস কক্ষ, আঙিনা ও রাস্তাঘাট জী’বাণুমুক্ত করতে হবে।

৩. প্রত্যেক মন্ত্রণালয় ও বিভাগের প্রবেশপথে থার্মাল স্ক্যানার বা থার্মোমিটার দিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শরীরের তাপমাত্রা পরীক্ষা করে অফিসে প্রবেশ করাতে হবে।

৪. অফিস পরিবহনগুলো অবশ্যই শত ভাগ জী’বাণুনাশক দিয়ে জী’বাণুমুক্ত করতে হবে। যানবাহনে বসার সময় পারস্পরিক ন্যূনতম তিন ফুট শা’রীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে এবং সবাইকে মাস্ক (সার্জিক্যাল মাস্ক অথবা তিন স্তর বিশিষ্ট কাপড়ের মাস্ক, যা নাক ও মুখ ভালোভাবে ঢেকে রাখবে) ব্যবহার করতে হবে।

৫. সার্জিক্যাল মাস্ক শুধু একবার ব্যবহার করা যাবে। কাপড়ের মাস্ক সাবান দিয়ে পরিষ্কার করে পুনরায় ব্যবহার করা যাবে।

৬. যাত্রার পূর্বে এবং যাত্রাকালীন পথে বার বার হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে হাত পরিষ্কার করতে হবে।

৭. খাওয়ার সময় শা’রীরিক দূরত্ব (ন্যূনতম তিন ফুট) বজায় রাখতে হবে।

৮. প্রতিবার টয়লেট ব্যবহারের পর হাত সাবান দিয়ে জী’বাণুমুক্তকরণ নিশ্চিত করতে হবে।

৯. অফিসে কাজ করার সময় শা’রীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।

১০. কর্মস্থলে সবাইকে অবশ্যই মাস্ক পরিধান করতে হবে এবং ঘন ঘন সাবান পানি বা হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে হাত পরিষ্কার করতে হবে।

১১. কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক’রোনা প্রতিরোধে বিভিন্ন সাধারণ নির্দেশনাসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি নিয়মিত মনে করিয়ে দিতে হবে এবং তারা স্বাস্থ্যবিধিগুলো মেনে চলছে কি না তা মনিটরিং করতে হবে। ভিজিলেন্স টিমের মাধ্যমে মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

১২. দৃশ্যমান একাধিক স্থানে ছবিসহ স্বাস্থ্য সুরক্ষা নির্দেশনা ঝুলিয়ে রাখতে হবে।

১৩. কোনো কর্মচারীকে অ’সুস্থ পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে তাকে আইসোলেশন বা কোয়ারেন্টাইনে রাখার ব্যবস্থা করতে হবে।

উল্লেখ্য, ২৮ মে জারি করা প্রজ্ঞাপনে আরও জানানো হয়েছে, ঝুঁ’কিপূর্ণ ব্যক্তি, অ’সুস্থ কর্মচারী এবং স’ন্তান সম্ভবা নারীরা কর্মস্থলে উপস্থিত হওয়া থেকে বিরত থাকবেন।

এক্ষেত্রে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্বাস্থ্য বিধি নিশ্চিতকরণের জন্য স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ থেকে জারিকৃত ১৩ দফা নির্দেশনা ক’ঠোরভাবে অনুসরণ করতে বলা হয় আদেশে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here