নারী-পুরুষ কে নাহ চায় তার যৌ’ন চাহিদা দীর্ঘস্থায়ী করতে? এবি’ষয়ে সবারই মোটামুটি আগ্রহ রয়েছে। কিন্তু সামাজিকতা, ধর্মীয় অনুভূতি, পারিবারিক বা’ধ্যবাধকতার জন্য কেউ তা প্রকাশ করতে পারে না।

অনেকে গাছ-গাছড়া, ভু’লভাল এলোপ্যাথি এবং হোমিও প্যাথিক ঔষধী ব্যবহার করে থাকেন। এতে বি’পদে পড়ে থাকেন অনেকেই।

তবে, ফরাসি যৌ’ন বিজ্ঞানীরা যৌ’নক্ষমতা কে দুটি সুনির্দিষ্ট ভাগে ভাগ করেছেন। তারা এক শ্রেণিকে বলেছেন ‘Je fais quand je veux’ অর্থাত্‍ আমার যখন ইচ্ছা তখনই আমি যৌ’ন মিলন এ অংশগ্রহণ করতে পারি।

দ্বিতীয় শ্রেণী বলেছেন ‘Je fais quand je peux’- আমি মিলনে অংশগ্রহণ করতে পারি যখন আমার মধ্যে যৌ’নক্ষমতা বজায় থাকে।

সাধারণত: ১৬ থেকে ৩৮ বছর বয়সের মধ্যে, কখনো কখনো ৪০-৪৫ বছর বয়স পর্যন্তও একজন পুরুষ দিন বা রাত্রি যে কোন সময়, যখনই ইচ্ছা যৌ’ন মিলন করতে প্রবৃত্ত হতে পারেন।

এই যৌ’ন মিলন করার জন্য তিনি ইচ্ছা করলে রতিলীলার দ্বারা নিজেকে উত্তেজিত করে নিতে পারেন অথবা রতিলীলাকে বাদও দিতে পারেন।

এই মিলনে তার স্ত্রী সঙ্গীর ইচ্ছা বা আধা ইচ্ছাও থাকতে পারে এবং যে কোন অবস্থায়, যে কোনো ভঙ্গিতে এবং যে কোন অবস্থানে চাইলে এরা মিলন করতে পারেন।

চল্লিশ বা পঞ্চার্শোধ ব্যক্তিরা মিলনের সময় নির্বাচন করে নিলেও সব সময় মিলনে অংশ গ্রহণ করতে পারে না। বয়স যত বাড়তে থাকে, যৌ’ন মিলনের বিরতির (frequency) সময় ততই দীর্ঘ হতে থাকে।

এই বয়সে মিলনে প্রবৃত্ত হতে গেলে এরা রতিলীলার দ্বারা তীব্রভাবে উ’ত্তেজনা লাভের প্রয়োজন অনুভব করেন। শুধু রতিলীলায় অভিজ্ঞ, ধৈর্যশীল এবং তীব্র যৌ’ন আকর্ষণ সম্পন্ন ব্যক্তিরা। মিলন সঙ্গীর এইসব দৈহিক এবং চরিত্রগুণ এই বয়সের পুরুষের যৌ’ন মিলনের অন্যতম প্রধান সহায়ক।

এমন বহু বয়স্ক আছেন, যারা অপরিচিত এবং অসহযোগী নারীর সান্নিধ্যে এলে যৌ’ন অক্ষম হয়ে যান, কিন্তু স্ত্রীর কাছে এলে মিলনে সহজে অংশ গ্রহণ করতে পারেন।

আবার স্ত্রীর বয়স বেশী হওয়ার জন্য অথবা কোন অসুখ-বিসুখের ফলে দৈহিক স্বাস্থ্য এবং সৌন্দর্য ন’ষ্ট হয়ে যাওয়া এইসব স্বামীরা যৌ’ন মিলন করতে অক্ষম হয়ে যান। পুরুষের বেশী বয়সে যৌ’ন অক্ষম হয়ে যাওয়ার মূলে যেসব কারণ আছে, এই কারণটি তার মধ্যে একটি অন্যতম প্রধান কারণ।

সাধারণত অধিক সময় নিয়ে যৌ’ন মিলন করাটা পুরুষের সক্ষমতার উপরই নির্ভর করে। তথাপি কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করে পুরুষরা তাদের মিলন কাল দীর্ঘায়িত করতে পারেন।

তবে কে কতটা দীর্ঘ সময় নিয়ে যৌ’ন মিলন করবে এটা অনেকটাই তাদের চর্চার উপর নির্ভর করে থাকে। আসুন জেনে নিই মিলন দীর্ঘায়িত করার কিছু পদ্ধতি সম্পর্কে।

চে’পে/টি’পে (স্কুইজ) ধরা: এই পদ্ধতিটি আবি’ষ্কার করেছেন মাস্টার এবং জনসন নামের দুই ব্যক্তি। চে’পে ধরা পদ্ধতি আসলে নাম থেকেই অনুমান করা যায় কিভাবে করতে হয়।

যখন কোন পুরুষ মনে করেন তার বীর্য প্রায় স্থলনের পথে, তখন সে অথবা তার সঙ্গী লিঙ্গের ঠিক গোড়ার দিকে অন্ডকোষের কাছাকাছি লিঙ্গের নিচের দিকে যে রাস্তা দিয়ে মুত্র/বীর্য বহিঃর্গামী হয় সে শিরা/মুত্রনালী কয়েক সেকেন্ডর জন্য চে’পে ধরবেন।

(লিঙ্গের পাশ থেকে দুই আঙ্গুল দিয়ে ক্লিপের মত আ’টকে ধরতে হবে।)। চা’প ছেড়ে দেবার পর ৩০ থেকে ৪৫ সেকেন্ডের মত সময় বিরতী নিন।

এই সময় লিঙ্গ সঞ্চালন বা কোন প্রকার যৌ’ন কর্যক্রম করা থেকে বিরত থাকুন। এ পদ্ধতির ফলে হয়তো পুরুষ কিছুক্ষনের জন্য লিঙ্গের দৃঢ়তা হারাবেন।

কিন্তু ৪৫ সেকেন্ড পুর পুনরায় যৌ’ন কার্যক্রম চালু করলে লিঙ্গ আবার আগের দৃঢ়তা ফিরে পাবে। স্কুইজ পদ্ধতি একবার মিলন করার সময় আপনি যতবার খুশি ততবার করতে পারেন।

মনে রাখতে হবে, সব পদ্ধতির কার্যকারীতা অভ্যাস বা প্রাকটিস এর উপর নির্ভর করে। তাই প্রথমবারেই ফল পাওয়ার চিন্তা করা বোকামী হবে।

সংকোচন (টেনসিং): এ পদ্ধতি সম্পর্কে বলার আগে আপনাদের কিছু বেসিক ধারণার দরকার।

আমরা প্রস্রাব করার সময় প্রস্রাব পুরোপুরি নিঃস্বরনের জন্য অন্ডকোষের নিচ থেকে পায়ুপথ পর্যন্ত অঞ্চলে যে এক প্রকার খিঁচুনি দিয়ে পুনরায় তলপেট দিয়ে চা’প দেই এখানে বর্নিত সংকোচন বা টেনসিং পদ্ধতিটি অনেকটা সে রকম।

তবে পার্থক্য হলো এখানে আমরা খিঁচুনি প্রয়োগ করব- চা’প নয়। মিলন কালে যখন অনুমান করবেন বীর্য প্রায় স্থলনের পথে, তখন আপনার সকল যৌ’ন কার্যক্রম বন্ধ রেখে অন্ডকোষের তলা থেকে পায়ুপথ পর্যন্ত অঞ্চল কয়েক সেকেন্ডের জন্য প্রচণ্ড শক্তিতে খিঁচে ধরুন। এবার ছেড়ে দিন।

পুনরায় কয়েক সেকেন্ডের জন্য খিঁচুনি দিন। এভাবে ২/১ বার করার পর যখন দেখবেন বীর্য স্থলনেরে চা’প/অনুভব চলে গেছে তখন পুনরায় আপনার যৌ’ন কর্ম শুরু করুন।

সংকোচন পদ্ধতি আপনার যৌ’ন মিলনকে দীর্ঘায়িত করবে। এক্ষেত্রেও সব পদ্ধতির কার্যকারীতা অভ্যাস বা প্রাকটিসের উপর নির্ভর করে। তাই প্রথমবারেই ফল পাওয়ার চিন্তা করা বোকামি হবে।

বিরাম (টিজিং/পজ অ্যান্ড প্লে): এ পদ্ধতিটি বহুল ব্যবহৃত। সাধারণত সব যুগল এ পদ্ধতির সহায়তা নিয়ে থাকেন। এ পদ্ধতিতে মিলন কালে বীর্য স্থলনের অবস্থানে পৌঁছলে লিঙ্গকে বাহির করে ফেলুন অথবা ভেতরে থাকলেও কার্যকলাপে বিরাম দিন।

এই সময় আপনি আপনাকে অন্যমনস্ক করে রাখতে পারেন। অর্থ্যত্‍ সুখ অনুভুতি থেকে মনকে ঘুরিয়ে নিন। যখন অনুভব করবেন বীর্যের চা’প কমে গেছে তখন পুনরায় শুরু করতে পারেন। বিরাম পদ্ধতির সফলতা সম্পূর্ণ নির্ভর করে আপনার অভ্যাসের ও’পর।

প্রথমদিকে এ পদ্ধতির সফলতা না পাওয়া গেলেও যারা যৌ’ন কার্যে নিয়মিত তারা এই পদ্ধতির গুণাগুণ জানেন। বি’ষয়গুলো প্রতিটা পুরুষেরই জেনে রাখা দরকার।

বি’ষয়গু’লি নিয়ে অবশ্যই আপনার স্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করবেন। তাতে আপনারা দু’জনেই লাভবান হবেন। আপনি আপনার স্ত্রীকে পদ্ধতিগুলো বুঝিয়ে বলুন। দেখবেন সেই আপনাকে সাহায্য করছে। কারণ সে জানে আপনি বেশি সময় নেয়া মানে তার নিজেরই লাভবান হওয়া।

মিলন অধিক সময় স্থায়ী করার মা’নসিক এবং শারিরীক পদ্ধতি : সবচাইতে বড় যে ভু’লটি করেন বেশিরভাগ মানুষ, সেটা হলো বিয়ের পর নিজেকে আর আগের মত যত্ন না করা।

নিজেকে সাজানো, নিজের সৌন্দর্য রক্ষা করা, শরীর সুগঠিত রাখা ইত্যাদি কাজগুলো করেন না। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জীবন থেকে হা’রিয়ে যায় নিজেকে সুন্দর দেখাবার প্রয়াস।

স্বভাবতই সঙ্গীর চোখেও আপনি হয়ে পড়তে থাকেন সাদামাটা। অনেক ক্ষেত্রে কুত্‍সিতও! বিয়ে হয়ে গেলো মানেই ফুরিয়ে গেছে সব? বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তাই হয়।

এক্ষেত্রে দেখা যায়, কেবল দুজনে কোথাও বেড়াতে যাওয়া, একটা রোম্যান্টিক ডেট, রোম্যান্টিক মেসেজ চালাচালি এসব যেন কোথায় হা’রিয়ে যায়।

এমনকি যৌ’ন জীবনটাও হয়ে পড়ে একদম একঘেয়ে। অনেকেই মনে করেন, বিয়ে তো হয়েই গেছে! এখন আর এসব করে কী লাভ? আরে, বিয়ের পরই তো এসবের বেশী প্রয়োজন।

রোমান্টিকতার চর্চা করুণ মা’নসিক ও শা’রীরিক ভাবে। প্রেম ও যৌ’নতার দুনিয়া, দুটোকেই ভরিয়ে রাখু’ন নতুনত্বে। এবার এক নজরে দেখে নিন যৌ’ন মিলন দীর্ঘস্থায়ী করার আরো কিছু কার্যকারী উপায় সম্পর্কে।

মাঝে মাঝে একটু দুরত্ব বজায় রাখু’ন: একটি খাবার যদি আপনি প্রতিদিন খান, কেমন লাগবে আপনার? কিংবা এক সিনেমা যদি রোজ দেখেন? সারাক্ষণ পরস্পরের সঙ্গে থাকলেও তাই হয়।

কখনো তাকে ছাড়াই বেড়াতে যান। বন্ধুদের সঙ্গে মিশুন, নিজেকেও সময় দিন। একটু দূরত্ব সম্পর্কের জন্য ভালো।

মনের যৌ’ন উ’ত্তেজনা কম করুণ: প্রত্যেক যুবক যৌবনবতী নারীর দিকে তাকাতে বা তার সঙ্গে মিশতে ভালবাসে। এই তাকানোর মধ্যে একপ্রকার যৌ’ন উ’ত্তেজনা মনে জাগে যদি কোন সুন্দরী নারীর দেহের কিছুটা অংশ দৃষ্টিগোচর হয়, তাহলে উ’ত্তেজনার পরিমাণ বৃ’দ্ধি পায়।

আধুনিককালে মেয়েরা, যুবতীরা যে ভাবে দেহের বিশেষ বিশেষ অঙ্গ অনাবৃত রেখে জামাকাপড় পরে তাতে পুরুষের যৌ’ন উ’ত্তেজনা আরও বৃ’দ্ধি পায়।

এছাড়া সিনেমায়, সিনেমার বিজ্ঞাপনে, টেলিভিশনে, স্নানের ঘাটে অথবা সমুদ্রতীরে, বিজ্ঞাপনে অর্ধ ন’গ্ন নারীদেহ নিয়তই পুরুষের মনে উ’ত্তেজনার সৃষ্টি করে। এই উ’ত্তেজনার ক্রমাগত আ’ঘাত পুরুষের স্নায়ুচ’ক্রের অনুভূতিকে ভোঁতা করে দেয়।

তাই, পুরুষ যখন কোন জীবন্ত নারীর ন’গ্নদেহের প্রত্যক্ষ সংস্পর্শে আসে বা খা’রাপ ছবি দেখে কিংবা চটি গল্প পড়ে-তখন তার মধ্যে যে তীব্র উ’ত্তেজনার সৃষ্টি হয়, সেই উ’ত্তেজনাই তার স্নায়ুদের বিকল এবং অনুভূতিহীন করে দেয়।

একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ উ’ত্তেজনা অবশ্যই প্রয়োজনীয়। কিন্তু পুরুষ মাত্রকেই ‘চ’রম উ’ত্তেজনা’ এবং ‘মাত্রামতো উ’ত্তেজনা’ এর মাঝে সীমারেখা টানতে শিখতে হবে।

মনে উ’ত্তেজনার শিহরণ যত কম হবে পুরুষের যৌ’ন মিলন করার ক্ষমতা তত বেশী শক্তিশালী হবে।

এমন অনেক অবিবাহিত বা সদ্যবিবাহিত যুবক আছেন-যারা যৌ’ন জীবনের সঙ্গিনীর কাছে গেলেই লিঙ্গ থেকে কামরস ক্ষরণ হতে শুরু করে-তারপর সঙ্গিনী যখন মিলন কামনা করে তখন লিঙ্গে উ’ত্তেজনা হয় না।

বাইরের টেনশন ঘড়ে নয়: আপনার আর্থিক দুঃশ্চিন্তা, চাকুরী বা ব্যবসা ক্ষেত্রের উ’দ্বি’গ্ন মনোভাব, সংসারের অন্যত্র সংঘটিত কোন ক’লহজনিত অশান্তি, আপনার দাম্পত্যশয্যায় বয়ে নিয়ে যাবেন না।

ঐ দ্ব’ন্দ্ব কহলজাত যে উ’দ্বি’গ্ন মনোভাব, তা পুরুষের যৌ’ন মিলন করার ক্ষমতা স্তিমিত করে দেয়, পুরুষকে উ’ত্তেজনাহীন করে দেয়।

আজকের পৃথিবীতে এত বেশী ব্লাডপ্রেসারের আমদানীর মূলও মা’নসিক উ’দ্বেগ। মা’নসিক উ’দ্বেগ দেহের স্বাভাবিক কর্মপদ্ধতিতে বাঁ’ধা সৃষ্টি করে।

দেহের প্রত্যেক বিভাগ এই উ’দ্বেগের জন্য আ’হত হয়। পাকস্থলী এবং সংশ্লিষ্ট যন্ত্রাংশকে ক্ষ’তিগ্রস্থ করে, আর যেসব স্নায়ু যৌ’নাঙ্গকে পরিচালনা করে তারা এর প্রভাবে মা’রাত্মক ক্ষ’তিগ্রস্ত হয়।

বহু মধ্যবয়সী পুরুষ এই জাতের মা’নসিক উ’দ্বেগের জন্য যৌ’নজীবনে নিরুত্‍সাহ হয়ে পড়েন-শেষে একেবারে যৌ’ন মিলন করতে অক্ষম হয়ে পড়েন।

ধরুন, আপনি যদি কোন রাত্রিতে শুনতে পান যে, আপনার এক ঘনিষ্ঠ আত্মীয় বা বন্ধু মা’রা গেছে, কি আপনারা এক নিদারুণ আর্থিক ক্ষ’তি হয়েছে, সেদিন কি আপনার যৌ’ন মিলন করার প্রবৃত্ত হতে প্রেরণা জাগে? নিশ্চয়ই না।

যেদিন আপনার স্ত্রীর সঙ্গে কোন কারণে ভীষণ মনোমালিন্য হয়-সেদিন কি আপনার রতিমিলনে প্রবৃত্ত হতে ইচ্ছা হয়? নিশ্চয়ই না। অতএব মা’নসিক উ’দ্বেগকে যথাসম্ভব আপনার দাম্পত্যশয্যা থেকে দূরে রাখু’ন।

ধূমপান ম’দ্যপান বাদ দিন: যারা ধূমপান করেন, তারা বোধ হয় লক্ষ্য করেছেন, যে মা’নসিক অশান্তি বা উ’দ্বেগের সময় মানুষ খুব বেশী ধূমপান করে।

ধূমপান করলে শরীরে যে নিকোটিনজাত উ’ত্তেজনা সৃষ্টি হয় তা স্নায়ুর উপরে যে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে তাতে সাময়িক উ’দ্বেগ বাড়ে এবং স্নায়ুবিক দৌর্বল্য আধিক্য লাভ করে।

তামাকের নিকোটিন মানুষের র’ক্তকোষের উপরে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। র’ক্তের কোষগু’লি এর প্রভাবে একটার গায়ে আর একটা আ’টকে যায় এবং র’ক্ত চলাচলে বা’ধা সৃষ্টি হয়।

যৌ’ন মিলন করার জন্য অবশ্যই র’ক্ত প্রবাহের সঠিক গতি এবং চলাচল ক্রিয়া অত্যন্ত দরকারী। আবার মাত্রাতিরিক্ত মদ্যমান মানুষের স্নায়ু এবং অনুভূতি শক্তিকে ভোঁতা করে দেয়।

মানুষ যখন মদের প্রভাবে থাকে, তখন তাঁর পক্ষে যা কিছু করা সম্ভব এবং তা সে নিজের অবচেতন মনের ইচ্ছার দ্বারা করে। তখন মনের যেমন কোন শক্তি থাকে না, দেহেরও তেমনি শক্তি থাকে না। মদ মানুষের অনুভূতিশক্তি এবং মিলন করার শক্তিকে এইভাবে ধ্বং’স করে দেয়।

স্নায়ুর প্রক্ষেপ নিবৃত্তকারী ও’ষুধ এড়িয়ে চলুন: আধুনিক যুগের জীবনযাত্রার অন্যতম প্রধান সমস্যা মা’নসিক দ্ব’ন্দ্ব এবং উ’দ্বেগ।

এই উ’দ্বেগ মানুষকে এত বিব্রত করে তোলে যে, এর নিবৃত্তির জন্য মানুষ চিকিত্‍সকের শরণাপন্ন হতে বা’ধ্য হয়। কোটি কোটি উ’দ্বি’গ্ন মানুষের জন্য তাই চিকিত্‍সাবিজ্ঞান আবিস্কার করেছে হাজার হাজার মা’নসিক উ’দ্বেগ শান্ত করার ও’ষুধ।

সারা বিশ্বে এইসব ও’ষুধ বিক্রি হচ্ছে বিড়ি সিগারেটের মতো। এইসব ও’ষুধ ব্যবহার করলে স্নায়ু এবং গ্রন্থিগু’লি অনুভূতিশক্তি হারাতে থাকে। এরপর এমন এক সময় আসে যখন যৌ’ন মিলন করার মা’নসিকতা ন’ষ্ট হয়ে যায়।

পর্যাপ্ত পরিমাণে স্বাস্থ্যকর খাদ্য খেতে হবে: সাধারণ ভাবে শরীরকে সুস্থ এবং কর্মঠ রাখার জন্য প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও প্রোটিন যুক্ত খাদ্য খেতে হবে। দেহের স্নায়ুচ’ক্রের স্বাস্থ্যরক্ষার জন্য ভিটামিন অত্যন্ত প্রয়োজনীয়, বিশেষ করে ভিটামিন বি-১, ভিটামিন ই ।

কারণ, পুরুষের মিলন অক্ষমতার মূলে থাকে স্নায়ুতন্ত্রের অসাড়তা বা অ’সুস্থতা। প্রোটিন খাদ্য দেহকে শক্তিশালী এবং মজবুত করে রাখবে। যৌ’নমিলনে দৈহিক শক্তিরও বেশ একটা প্রয়োজনীয় স্থান আছে।

খাদ্যের অভাবে, পুষ্টির অভাবে দেহ দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়ে। গ্রন্থিরা ঠিকমতো পুষ্টি পায় না-ফলে যৌ’নমিলনে যেসব জিনিস দেহের দরকার তারা নিস্তেজ থাকায় কাজ করে না বলেই যৌ’ন অক্ষমতা দেখা দেয়।

পর্যাপ্ত মুক্ত বাতাসে ব্যায়ম করা দরকার: যৌ’নক্ষমতা বজায় রাখার জন্য দেহের মাংসপেশীর স্বাস্থ্য যেমন দরকারী, তেমনি দরকার দেহের মধ্যে র’ক্তের সঠিক সঞ্চালন।

আর এই দুইটির একটির জন্য দরকার নিয়মিত ব্যায়াম-অন্যটির জন্য মুক্ত বাতাস। ব্যায়াম করলে দেহের মাংসপেশীরা উপকৃত হবে, ঠিকমতো গড়ে উঠবে এবং বৃ’দ্ধি পাবে। আর মুক্ত বাতাস থেকে অক্সিজেন পেলে র’ক্ত চলাচল সঠিক হবে।

যৌ’ন উ’ত্তেজনা হলে দেহের পেশীগু’লি যেমন স্ক্রিয় হয়, তেমন র’ক্ত চলাচলের গতিও বৃ’দ্ধি পায়। চাইলে যোগ ব্যায়াম ও করতে পারেন।

প্রয়োজন সহযোগিতার: পুরুষের যৌ’ন মিলন করার অক্ষমতা নারীর সহযোগিতা পেলে অনেকাংশে দূর হয়। যৌ’ন জীবনের সঙ্গিনী যদি পুরুষকে সাহায্যে করে তাহলে যৌ’ন মিলন অক্ষম পুরুষও দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠে।

যৌ’ন মিলন যে সঙ্গীর সঙ্গেই হোক না কেন, মনকে দৃঢ় রাখতে হবে, কোন প্রকার ভীতি সংশয় বা স’ন্দেহ মনে দেখা দিলে যৌ’ন অক্ষমতা অনিবার্য হয়ে আত্মপ্রকাশ করে।

অনেক সময় দেখা যায় যে, অনেক পুরুষ স্বল্প সময়ের মধ্যেই বীর্যপাত করেন, যার ফলে নারী অতৃপ্ত থেকে যায়। তাই মিলন করার সময় নারীর চাওয়া পাওয়াকে বেশি প্রাধান্য দেয়া উচিত্‍।

পরিশেষে বলা যায়, যৌ’ন অক্ষমের মূলে যেমন মা’নসিক কাজ করে, তেমনি দৈহিক কারণও আছে। যদি কেউ যৌ’ন অক্ষমতার দরুণ যৌ’নজীবনে বি’পর্যস্ত হতে বসেন, তবে তার উচিত্‍ কোন ভাল চিকিত্‍সককে দিয়ে তার যৌ’নাঙ্গ ও প্রষ্টেট সংক্রান্ত অঙ্গগু’লি পরীক্ষা করা এবং মা’নসিক কারণটি খুঁজে বের করা।

রতিবিরতিতে ব্রহ্মচর্য লাভ হতে পারে কিন্তু যৌ’ন জীবন দুর্বল হয়ে পড়ে। যাদের যৌ’ন জীবন যৌবনের যত প্রথমে শুরু হয় তারা তত বেশি দিন যৌ’ন জীবনে সক্রিয় থাকেন। অবশ্য এর জন্য দেহ এবং মনের যত্ন নিতে হবে, পরিত্যাগ করতে হবে অ’সুস্থ এবং অস্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here