ভারতে বু’লেটের গতিতে ছড়িয়ে পড়েছে প্রা’ণঘা’তী ক’রোনাভা’ইরাসে। আ’ক্রান্তের দিক থেকে আগেই ম’হামা’রীটির উৎস দেশ চীনকে ছাড়িয়েছে।

লকডাইনের ৫৫তম দিনে দেশটিতে আ’ক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল এক লাখ ৩২৮ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমিত হয়েছে ৪ হাজার ৬৩০ জন এবং মৃ’ত্যু হয়েছে ১৩১ জন। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।

এ পর্যন্ত কোভিড-১৯ রো’গে ভারতে মা’রা গেছে ৩ হাজার ১৫৬ জন। আট দিনে সং’ক্র’মণের হার দ্রুতগতিতে বাড়লেও দেশটির স্বাস্থ্য ম’ন্ত্রণালয়ের দাবি, ওই হার বিশ্বের অনেক উন্নত দেশের থেকে কম।

ম’ন্ত্রণালয় পরিসংখ্যান দিয়ে জানিয়েছে, ভারতে প্রতি লাখে সংক্রমিতের সংখ্যা ৭.১ জন। সেখানে আমেরিকা, রাশিয়া, ব্রিটেন, স্পেন, ইতালিতে প্রতি লাখে সংক্রমিতের সংখ্যা ৪৩১, ১৯৫, ৩৬১, ৪৯৪ ও ৩৭২ জন।

কিন্তু ওই সব দেশে পরীক্ষা বেশি হচ্ছে বলে রো’গী চিহ্নিত বেশি হচ্ছে— বি’রোধীদের এই যুক্তির জবাবে স্বাস্থ্য ম’ন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এ পর্যন্ত গোটা দেশে প্রায় ২১ লাখ নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। যার মধ্যে এক লাখ লোকের সং’ক্র’মণ পাওয়া গেছে। সং’ক্র’মণের হার বেশি হলে পরীক্ষার ফলে তা প্রতিফলিত হতো।

মে মাসের প্রথম থেকে দেশের মধ্যে শ্র’মিক স্পেশাল, বিশেষ ট্রেন ও বিদেশে আ’টকে থাকা ভারতীয়দের ফেরানো শুরু হওয়ায় নতুন করে ক’রোনা পরীক্ষার নির্দেশনামা জারি করেছে আইসিএমআর।

সংস্থার পক্ষে আজ পরীক্ষা সংক্রান্ত ৯ দফা নির্দেশিকা দিয়ে জানানো হয়েছে কাদের পিসিআর পরীক্ষা করা হবে। তাতে পজিটিভ রেজাল্ট মেলার পর প্রয়োজনে ওই ব্যক্তির নমুনা ক’রোনা-পরীক্ষার জন্য পাঠানোর পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

এত দিন কোনো অফিসে একজন ক’রোনায় আ’ক্রান্ত হলে অনির্দিষ্টকালের জন্য সেই অফিস বন্ধ করে তা জী’বাণুমুক্ত করা হচ্ছিল।

কেন্দ্র সোমবার জানিয়েছে, এখন আর গোটা অফিস বন্ধ করার দরকার নেই। তার বদলে ওই কর্মী যেখানে বসেন, বা আগের ৪৮ ঘণ্টায় যে যে অংশে তিনি যাতায়াত করেছেন সেটুকু এলাকা বন্ধ করে জী’বাণুমুক্ত করলেই চলবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here